1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
  2. mahadiislam.datasource@gmail.com : Mahadi Islam : Mahadi Islam
বুধবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে নারায়ণগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে অপহরণকারী চক্রের ৫ সদস্য আটক;১ অপহৃত উদ্ধার গাজীপুরে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টা; ডাকাত চক্রের ৪ সদস্য আটক বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন, নতুন অধ্যায়ে দেশ-স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ঢাকার মিরপুরে আড়াই মন গাঁজাসহ ৪ জন আটক উন্নয়ন কর্মকান্ড যেন জনদুর্ভোগে পরিণত না হয় সেজন্য সকল সেবা সংস্থার সমন্বয় অত্যাবশ্যকঃ মেয়র তৎকালীন জমিদার বংশের ছেলে কক্সবাজারের হুমায়ুন কবির মহান মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি সম্মুখ যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করে হারিয়েছেন সর্ব্বোচ্ছ সহ্য করেছেন অকথ্য নির্যাতন এর পরেও জায়গা মেলেনি মুক্তিযুদ্ধের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের মৃত্যুতে এলজিআরডি মন্ত্রীর শোক প্রতিষ্ঠার ৪৪ বছরে পদার্পণ করল চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ স্কুল শিক্ষককে চলন্ত বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা চেষ্টা;৩ আসামী আটক গ্রামীণ অবকাঠামো, পানি ও স্যানিটেশন নিয়ে কাজ করতে চায় এডিবি

চট্টগ্রামে ভূমি অধিগ্রহণের ৩ কোটি টাকার চেক জালিয়তি করে তুলতে গিয়ে গ্রেপ্তার জোহুরা

কমল চক্রবর্তী (০১৭১৮-৯৯১৩৯৮)
  • প্রকাশিত : সোমবার, ৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ১০৩ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের এল. এ শাখা হতে জালিয়তির মাধ্যমে ২.৮৬ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের চেক উত্তোলনের সময় জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ হাতে নাতে ধরে ফেলেন। এ প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসকের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষতিপূরণের চেক উত্তোলনকারী সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত একজনকে আটক করে পুলিশ।

আজ সোমবার ০৮ নভেম্বর কক্সবাজার উখিয়া থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামী কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন জনৈক ওসমানের মেয়ে জোহুরা (২৫)।

জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত জোহুরা মুলত একটি রেজিস্টার্ড পাওয়ার অফ এটর্নী মূলে এল.এ. শাখা থেকে চেক উত্তোলনের আবেদন করে। ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা পাওয়ার দাতাদের পরিচয় ও তার সাথে উক্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অসংলগ্ন উত্তর দেন। তিনি বলেন, পাওয়ার অফ এটর্নী দাতাদের তিনি চেনেন না। তার স্বামী মূলত তার পক্ষে পাওয়ার অফ এটর্নী দলিল  সম্পাদন করেছেন। তার স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন তার স্বামী প্রবাসী এবং দু’মাস যাবত তার সঙ্গে কোন প্রকার যোগাযোগ নেই।তখন জোহুরা সম্পর্কে সন্দেহ আরো ঘনীভূত হলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একজন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে লোক মারফত পাওয়ারদাতাদের ঠিকানায় অনুসন্ধান করা হয়। পাওয়ার অফ এটর্নী দলিলে বর্ণিত ঠিকানায় আবুল কালাম শামসুদ্দিন ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল, উভয়ের পিতা হাজী আব্দুস সাত্তার, নামীয় দুই জন লোকের সন্ধান পাওয়া যায়।

আবুল কালাম শামসুদ্দিন ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল উভয়েই জানায়, তারা জোহুরা কেন কাউকেই তাদের জমির ক্ষতিপূরণ উত্তোলনের জন্য কোন প্রকার ক্ষমতা অর্পণ করেননি। অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য তাদেরকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। পাওয়ার অফ এটর্নী দলিলটি দেখে তারা বলেন, দলিলে তাদের নামের বিপরীতে যে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দেয়া হয়েছে সে নম্বর দুটি তাদের পরিচয়পত্রের নম্বর নয় এবং জোহুরা কর্তৃক সরকারি অর্থ আত্মসাতের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক লিখিত আপত্তি দাখিল করেন।

জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের নিকট তৎক্ষণাৎ এ বিষয়টি স্পষ্ট হয় যে, ক্ষতিপূরণের আবেদনকারী জোহুরা একটি প্রতারক সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত। ভূয়া লোকদেরকে আবুল কালাম শামসুদ্দিন ও আবু হেনা মোস্তফা কামাল সাজিয়ে এ প্রতারক সিন্ডিকেট পাওয়ার অফ এটর্নী দলিলটি সদর সাবরেজিস্ট্রার, চট্টগ্রামের অফিসে রেজিস্ট্রি করে এবং সে দলিলমূলে ক্ষতিপূরণের আবেদন করে। তার এরূপ প্রতারণামূলক কর্মকান্ড উদ্ঘাটিত হলে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম দ্রুততার সহিত কোতয়ালী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করে।

এজাহারের ভিত্তিতে কোতয়ালী থানা মামলা রুজু করে আসামী জোহুরাকে গ্রেফতার করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালায়। পুলিশের আন্তরিক প্রচেষ্টায় গতকাল ০৭ নভেম্বর কক্সবাজার হতে জোহুরা গ্রেফতার হয়। প্রতারক সিন্ডিকেটের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ তাদের অভিযান অব্যাহত রেখেছে। এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম বলেন, দুর্নীতি, অনিয়ম ও প্রতারণার বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের ভূমিকা অত্যন্ত কঠোর। এ প্রতারণার সঙ্গে যেই যুক্ত থাকুক না কেন, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না এবং সকলকেই বিচারের আওতায় আনা হবে। ইতোপূর্বেও জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে অভিযান চালিয়ে দালাল চক্রের ০৪ জনকে আটক করে, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে শাস্তি প্রদান করা হয়েছিল।

এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকের স্টাফ অফিসার ও সহকারী কমিশনার মো. উমর ফারুক বলেন, সম্প্রতি জহুরা একটি রেজিস্টার্ড পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মূলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের এলএ শাখায় ২ কোটি ৮৬ লাখ টাকার ক্ষতিপূরণের চেক উত্তোলনের আবেদন করেন। এ সময় ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা দাতাদের পরিচয় ও তাঁর সঙ্গে ওই ব্যক্তিদের সম্পর্কের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি অসংলগ্ন উত্তর দেন। জহুরা বলেন, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দাতাদের তিনি চেনেন না। মূলত তাঁর স্বামী পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দলিল সম্পাদন করেছেন। তাঁর স্বামীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি বলেন, স্বামী প্রবাসী এবং দুমাস ধরে তাঁর সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই।

বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাৎক্ষণিক পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দাতাদের খোঁজ করেন। একপর্যায়ে তাঁদের খোঁজ পেলে তাঁরা জানান, জহুরা নামে কাউকে তাঁরা ক্ষতিপূরণের টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো প্রকার ক্ষমতা দেননি।

উমর ফারুক বলেন, মূলত জহুরা একটি প্রতারক সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত। বাকিদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রামের ভূমি অধিগ্রহণ শাখা এ মুহুর্তে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা ও সুনামের সাথে সেবা প্রদান করে যাচ্ছে। সচ্ছতার এ ধারাবাহিকতা বিনষ্টের জন্য বিভিন্ন সিন্ডিকেট অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করছে। সিন্ডিকেট/দালাল চক্র যত ক্ষমতাশালী বা প্রভাবশালীই হোক না কেন, তাদের এই অপচেষ্টা প্রতিহত করবার জন্য জেলা প্রশাসনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এ ঘটনায় জহুরাসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আজ তাঁকে গ্রেপ্তার করে।

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/৫ঃ৫৮পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

সহযোগী প্রতিষ্ঠান

© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি