1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
  2. mahadiislam.datasource@gmail.com : Mahadi Islam : Mahadi Islam
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে উপজেলা ও পৌরসভাগুলোকে শক্তিশালী করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছেঃমুখ্য সচিব সরকার আইটি খাতকে গুরুত্ব দেয়ায় দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে-মেয়র পরীর পাহাড়ের পরিবেশ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের নির্দেশনা দেন মুখ্য সচিব বিশ্ব নেতৃবৃন্দের আমন্ত্রণেই প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গেছেনঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিআইজি আনোয়ার হোসেন চট্টগ্রামের মানুষের মঙ্গলের জন্য যা করা প্রয়োজন তাই করা হবেঃমুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস রংপুরে মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা পিয়ারুলের মৃত্যু চট্টগ্রাম নগরীর কাট্টলীতে প্রস্তাবিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও যাদুঘরের স্থানপরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সাড়ে তিন হাজার মাদক কারবারির তালিকা প্রস্তুত ডিএনসি’র; গ্রেপ্তারে চলবে অভিযান নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অন্বেষন ও জ্ঞানের দুয়ার খুলে দিতে হবে -মেয়র

হালদায় তলিয়ে যাচ্ছে ১৫৭ কোটি টাকার প্রকল্প

Reporter Name
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৪ আগস্ট, ২০২১
  • ৪০ জন দেখেছেন

ফটিকছড়ি ( চট্রগ্রাম) প্রতিনিধি

দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ও বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীর ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর অংশের বিভিন্ন স্থানের ভাঙ্গন ঠেকাতে স্থাপিত সিসি ব্লকের প্রকল্পটি ক্রমশঃ পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।এ নদীর চিহ্নিত কয়েকটি স্থানে সিসি ব্লক স্থাপনে সরকার ১৫৭ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয়। বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ড এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। এ প্রকল্পের সিংহ ভাগ কাজ সম্পাদন হলেও নানা পয়েন্টে সিসি ব্লক পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে।

একটি প্রকল্পের আওতায় নদীটির দুই তীরে স্থাপন করা হচ্ছে সিসি ব্লক।এখন পর্যন্ত প্রকল্পের কাজ পুরো শেষ হয়নি, এরই মধ্যে বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেছে ফাটল। তলিলে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি পয়েন্টে। প্রকল্প শেষ হওয়ার আগে এভাবে ব্লক দেবে যাওয়ায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, নদীর ভাঙন ঠেকাতে বাঁধ, বাঁধের ভাঙ্গন ঠেকাবে কে? এছাড়া বাইরে থেকে মাটি কিনে খালের বাঁধ নির্মাণের কথা থাকলেও তা মানা হয়নি।এস্কেভেটর দিয়ে নদী- খালের কাছাকাছি ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে বাঁধ নির্মাণ করায় বাঁধের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।পাশাপাশি চাষের সক্ষমতা হারিয়েছে জমিগুলো।

জানা গেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের এ প্রকল্পের প্রতি কিউবিক ঘনফুট মাটির জন্য ১৭ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়েছে। কিন্তু, কৃষকদের কোন টাকা না দিয়ে জমির মাটি কেটে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করেছে ঠিকাদার। তাছাড়া, ওইসব জমি থেকে নিয়ম না মেনে মাটি কাটা হয়েছে। ফলে ওইসব জমিতে আর কোন চাষাবাদ করা যাবে না। এসব অনিয়মের প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগও দিয়েছেন ভুক্তভোগী কৃষকরা। কিন্তু কোন সুরাহা মিলেনি বলে জানান তাঁরা।

পাউবো সূত্রমতে, হালদা ও ধুরুং খালে মাটি এবং সিসি ব্লকে বেড়িবাঁধ নির্মাণের জন্য ১৫৭ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেয় সরকার। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে এ প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মোট ১৫৭ কোটি টাকা বরাদ্দের মধ্যে রয়েছে-৪৬ কিলোমিটার মাটির বেড়িবাঁধ ও ৯ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সিসি ব্লকের বাঁধ নির্মাণ। এর মধ্যে ৩৮ পয়েন্টে সিসি ব্লকের জন্য ১০৮ কোটি টাকা হালদা নদীতে এবং ১৩ পয়েন্টে ২৫ কোটি টাকা ধুরুং খালে বাকি টাকা বেড়িবাঁধের জন্য বরাদ্ধ দেয় সরকার।

জানা গেছে, এসব প্রকল্পের মধ্যে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর অংশে হালদায় ৪টি প্যাকেজ ও ফটিকছড়ির ধুরুং খালে একটি প্যাকেজের কাজ চলছে। হালদায় মোট ৫৮ এবং ধুরুং খালে ২৫ পয়েন্টে কাজ চলমান রয়েছে। হালদায় ৪ প্যাকেজের মধ্যে তিনটি ও ধুরুং খালে একটি প্যাকেজের কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এহসান এন্ড জামান (জেবি)। হালদায় অপর একটি প্যাকেজে কাজ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রহমান ইঞ্জিনিয়ারিং। এ পর্যন্ত হালদা ও ধুরুং খালে ৫ প্যাকেজ মিলে কাজ হয়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ।এর মধ্যে প্রায় ১ হাজার মিটার সিসি ব্লকের কাজ সম্পন্ন করেছে ঠিকাদার। তবে ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর অংশে কাজ শেষ করার আগেই নাজিরহাট নতুন ব্রিজের পূর্ব ও পশ্চিম দু’পাশে সিসি ব্লকসহ ধসে হালদায় তলিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একজন প্রকৌশলী জানান, মাটি কৃষকদের কাছ থেকে কিনে নিতে হবে ঠিকাদারকে। এর জন্য বরাদ্ধ দেয়া আছে। পরিবহন খরচও দেয়া হচ্ছে ঠিকাদারকে। অকৃষি জমি থেকে মাটি কাটতে হবে। ধানি জমি নষ্ট করা যাবে না।বাঁধের ত্রিশ ফুট দুর থেকে মাটি কাটতে হবে। বাঁধের কাছাকাছি মাটি না কাটার বিধিনিষেধ রয়েছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এহসান এন্ড জামানের (জেবি) মালিক মুনিরুজ্জামান বলেন, ‘মাটি যেখানে পাওয়া যাচ্ছে সেখান থেকে কাটা হচ্ছে। কৃষিজমি নষ্ট হয়ে থাকলে সেটি আমি পরে দেখবো।’

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী তয়ন কুমার ত্রিপুরা বলেন, ‘কাজে অনিয়ম করার সুযোগ নেই। কারণ ঠিকাদারের কাজগুলো খুব ভালো ভাবেই তদারকি করা হচ্ছে।’ কৃষি জমি থেকে মাটি কাটার বিষয়ে তিনি বলেন, কৃষকরা যদি মাটি না দেয় তাহলে ঠিকাদারের সাধ্য নেই কাটার। এটি কৃষকরা ঠিকাদারের সাথে বোঝাপড়া করবে। তবে আমরা প্রয়োজনীয় বরাদ্ধ রেখেছি। সিসি ব্লক যেগুলো ধসে গেছে সেগুলো পূনরায় করে দিতে হবে ঠিকাদারকে।
উল্লেখ্য: ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি ও হাটহাজারী উপজেলায় হালদা নদী ও ধুরং খালের তীর রক্ষা ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে সিসি ব্লক স্থাপনে ১৫৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটি অনুমোদন পায়। এ প্রকল্পের আওতায় সাত কিলোমিটার নদীতীরের দুই পাশে সিসি ব্লক স্থাপন করা হচ্ছে। প্রকল্পের সার্বিক দেখভাল করার দায়িত্বে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

 

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/২ঃঃ৪৫পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

সহযোগী প্রতিষ্ঠান

© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি