1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
  2. mahadiislam.datasource@gmail.com : Mahadi Islam : Mahadi Islam
রবিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে নেত্রকোণায় রুরাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঢাকা বিমানবন্দরে ২২ হাজার পিস ইয়াবাসহ সৌদিগামী এক যাত্রী আটক কাব্য টোকাইয়ের অভিষেক”গ্রন্থ আলোচনায় প্রধান অতিথি বাংলা একাডেমির সচিব খাদ্য উৎপাদনে বাস্তবমূখী হতে হবে-মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী রাজাখালীতে অবৈধ অস্ত্র উচিয়ে শোডাউন;শীর্ষ সন্ত্রাসী মহিউদ্দিন জনি সহযোগীসহ আটক ১০০ কোটি টাকা আত্মসাত করে ঢাকায় বানায় আলিশান বাড়ি;জুবলী ট্রেডার্স এর মালিক হায়দার আলী আটক সর্বক্ষেত্রে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের মাধ্যমে নারীর অগ্রযাত্রা সম্ভব -তথ্য ও সম্প্রচার সচিব নোয়াখালী সোনাইমুড়ী বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু সুরাজপুর-মানিকপুর ও বিএমচর ইউনিয়নে আইএসডিই এর উদ্যোগে ৩০০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য ও সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ বাগীশিক নাজিরহাট পৌরসভা সংসদের সনদ পত্র বিতরন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

বর্ষায় ভালোনেই ঝালকাঠির উত্তর কিস্তাকাঠি আবাসনের মানুষেরা

খায়রুল ইসলাম পলাশ
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৪৭ জন দেখেছেন

ঝালকাঠি ঃ ঝালকাঠির উত্তর কিস্তকাঠি আবাসন প্রকল্প নির্মাণের পর একযুগ পেরিয়ে গেলেও সংস্কার না করায় অধিকাংশ ঘরই বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এসব ঘরের টিনের চালাগুলো মরিচা পড়ে ঝাঝরা হয়ে গেছে। চালার ছিদ্র দিয়ে দেখা যাচ্ছে আকাশ। বৃষ্টির পানিতে ভিজে যায় ঘরের মালামাল। এখানকার বেশিরভাগ শৌচাগার ও গোসলখানাগুলো বর্তমানে ব্যবহারের অনুপোযোগী। রাস্তাঘাট ভাঙা এবং পাকা না থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বসবাসকারীরা।

২০০৭ সালে ঝালকাঠি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ৬৫ একর খাস জমিতে স্থাপন করা হয় উত্তর কিস্তাকাঠির এই আবাসন প্রকল্পটি। তিনটি ব্যারাকে নির্মাণ করা হয় ৪৫০টি ঘর। যা বরাদ্দ দেওয়া হয় ৪৫০টি ভ‚মিহীন নিম্ম আয়ের পারিবারকে। সংস্কার না হওয়ায় প্রকল্পের ৪৫০টি পরিবার মানবেতর জীবন যাপন করছে। টিনের চালা এবং বেড়ায় সৃষ্টি হওয়া ছিদ্র দিয়ে ঢোকে পানি। প্রতি দশটি পরিবারের জন্য ২টি শৌচাগার ও ২টি করে গোসলখানা রয়েছে এখানে। শৌচাগারগুলো এখন ব্যবহারের অযোগ্য। পয়ঃনিস্কাসনের জন্য ব্যারাকে কোন ড্রেন না থাকায় ময়লা দুর্গন্ধযুক্ত পানি যাচ্ছে এখানকার একমাত্র পুকুরটিতে। আর দূষিত হচ্ছে গোটা পুকুরের পানি। এই পুকুরের পানি ব্যবহার করে বাসিন্দারা নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। দুইএকজন স্বচ্ছল বাসিন্দা ঘর নিজেরা মেরামত করে বসবাস করলেও নিম্মআয়ের অসহায় বাসিন্দারা সংস্কার না করেই দিনেরপর দিন কষ্টে কাটাচ্ছেন।

ঝালমুড়ি বিক্রেতা আবাসনের ২ নং ব্যারাকের ১০ নং ঘরের বাসিন্দা খলিল সিকদার (৬৮) বলেন, বৃষ্টিতে মাঠের চেয়ে আমার ঘরে পানি বেশি ওঠে। পলিথিন টাঙিয়েও বৃষ্টি ঠেকানো যায় না।মুদী দোকানী ৩ নং ব্যারাকের ২০/৫ নম্বর ঘরের বাসিন্দা শহিদ হাওলাদার (৪৫) বলেন, ঘরপ্রতি ৩ বান টিনের প্রয়োজন অথচ ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে অর্থাৎ গত তিন বছর আগে ঘর প্রতি দু’টি করে টিন লাগিয়ে দিয়েছিলো সদর উপজেলা প্রশাসন। ১২ বছরের মধ্যে এই সংস্কার খুবই সামান্য। চা বিক্রেতা ২২/৮ নং ঘরের বাসিন্দা নাসিমা বেগম (৪০) বলেন, এই চালের টিন দিয়ে অনেক জায়গা থেকে পানি পরে সেই পানি ধরার জন্য ততোটি হাড়ি পাতিলও তার ঘরে নেই। বর্তমানে ভিতর থেকে আকাশ দেখা যায়। চালের টিনের চেয়ে ঘরের বেড়ার অবস্থা আরো বেশী খারাপ। যখন তখন তার ঘরের ভিতর সাপ ঢুকে পরে।

বাসিন্দারের দুর্দশা নিয়ে উত্তর কিস্তাকাঠি আবাসন প্রকল্প সমবায় সমিতি-১ এর সাধারণ সম্পাদক মন্টু খলিফা (৩৫) বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় আবাসনের এসব সমস্যার কথা কর্তৃপক্ষকে জানালেও তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। অনেক সময় বিভিন্ন কর্মকর্তা এখানে পরিদর্শনে এসে সংস্কারের কথা বলে চলে যান। জরাজীর্ণ ঘরতো আছেই এছাড়া এই আশ্রয়ন প্রকল্পে নেই ঘুর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্র, নেই গোরস্থান। দুর্যোগপুর্ণ আবহাওয়ায় আমাদের শহরে গিয়ে উঠতে হয়। এখানে বসবাসরত সারে ৪’শ পরিবারের কোন সদস্য মারা গেলে দাফনের জন্য যেতে হয় ৬ কিলোমিটার দুরে পৌর গোরস্থানে। সব মিলিয়ে বেশ দুর্দশায় আমরা আবাসনে বাসকরি। এখানকার বসবাস কারীদের একটাই দাবী দ্রæত প্রতিটি ঘরের চালের টিন পরিবর্তন করে নতুন করে চালা তৈরি এবং শৌচাগার ও গোসলখানাগুলো সংস্কার করে ব্যারাকগুলো বসবাসের উপযুক্ত করতে হবে। অনেক বাসিন্দাই আশ্রয়ণ কেন্দ্র ছেড়ে অন্যত্র চলে গেছেন। বাধ্য হয়ে যারা বসবাস করছেন তাদের ভোগান্তির শেষ নেই।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক বলেন, কিস্তাকাঠি আবাসন প্রকল্প অনেক পুরোনো। তাই প্রতিটি ঘরের চাল পরিবর্তন করে নতুন টিন না দিলে সমস্যার সমাধান হবেনা। ইতোমধ্যে সংস্কারের জন্য চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসক মো. জোহর আলী বলেন, প্রকল্পের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ নিরসনের জন্য যথাসাধ্য কাজ করা হবে। বিষটি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য তিনি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকতাকে নির্দেশ দিয়েছেন। ডিসি আরো বলেন, শুধু কিস্তাকাঠিই নয়, ঝালকাঠি জেলার বিভিন্ন উপজেলাগুলোতেও যে সকল আশ্রয়নকেন্দ্রের ঘরগুলো বসবাসের অনুপযোগী হয়েছে সেসকল আশ্রয়নের ঘরগুলো মেরামতের জন্য বরাদ্দ চেয়ে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

About Us

সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. খান আসাদুজ্জামান
ঠিকানা: এম এস প্লাজা (৮তলা) ২৮সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা-১০০০
নিউজ সেকশন: ০১৬৪১৪২৮৬৭০
বিজ্ঞাপন: ০১৯৯৬৩০৩০৭১
মফস্বল: ০১৭১৫২২৮৩২২
ই-মেইল: bangladeshshomachar@gmail.com
ওয়েবসাইট: www.bangladeshshomachar.com
ই-পেপার: www.ebangladeshshomachar.com
© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি