1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
  2. mahadiislam.datasource@gmail.com : Mahadi Islam : Mahadi Islam
রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে উপজেলা ও পৌরসভাগুলোকে শক্তিশালী করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছেঃমুখ্য সচিব সরকার আইটি খাতকে গুরুত্ব দেয়ায় দেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে-মেয়র পরীর পাহাড়ের পরিবেশ সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের নির্দেশনা দেন মুখ্য সচিব বিশ্ব নেতৃবৃন্দের আমন্ত্রণেই প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে গেছেনঃ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন ডিআইজি আনোয়ার হোসেন চট্টগ্রামের মানুষের মঙ্গলের জন্য যা করা প্রয়োজন তাই করা হবেঃমুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস রংপুরে মাদক ব্যবসায়ীর ছুরিকাঘাতে পুলিশ কর্মকর্তা পিয়ারুলের মৃত্যু চট্টগ্রাম নগরীর কাট্টলীতে প্রস্তাবিত মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও যাদুঘরের স্থানপরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব সাড়ে তিন হাজার মাদক কারবারির তালিকা প্রস্তুত ডিএনসি’র; গ্রেপ্তারে চলবে অভিযান নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অন্বেষন ও জ্ঞানের দুয়ার খুলে দিতে হবে -মেয়র

নিরপরাধ মিনুকে জেল খাটা;সেই কুলসুমার ২ সহযোগী আটক ও মামলার মূল রহস্য উদঘাটন

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১ আগস্ট, ২০২১
  • ১৫৩ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিনেদকঃ

নিরপরাধ মিনুকে জেল খাটানো যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামী কুলসুমার সহযোগী ছিন্নমূল সমাজের ৭নং নেতা মো. নুর আলম কাওয়াল (৪৮) ও মো. শাহাদাত হোসেনকে (৪২) নামে  ২ জনকে গ্রেফতার ও আসামী কুলসুমার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান।মামলার মূল রহস্য উদঘাটন।

আটককৃত আসামীরা হলেন, নূর আলম সীতাকুণ্ড থানার ১০ নম্বর জঙ্গল সলিমপুর কালাপানিয়া দরবেশনগরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ছিন্নমূল ৭ নম্বর সমাজের মৃত আলী হোসেন মোল্লার ছেলে ও শাহাদাত একই এলাকার মো. বেলায়েত হোসেনের ছেলে।

আজ রোববার (১ আগস্ট) ভোরে সীতাকুণ্ড থানার জঙ্গল সলিমপুর কালাপানিয়া দরবেশনগর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নেজাম উদ্দিন বলেন, নামের মিল না থাকার পরও কুলসুম আক্তার কুলসুমীর বদলে মিনু কারাগারে থাকার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় জড়িত আরও ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মো. শাহাদাত হোসেন নামে একজনকে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদনসহ আদালতে হাজির করা হলে আদালত ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন ও মো. নূর আলম কাওয়ালকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ২৯ জুলাই ভোরে নগরের পতেঙ্গা এলাকা থেকে নামের মিল না থাকার পরও কুলসুম আক্তার কুলসুমীর বদলে মিনু কারাগারে থাকার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় কুলসুমী ও সহযোগী মার্জিনা আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। একই দিন দুপুরে কোতোয়ালী থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) আকাশ মাহমুদ ফরিদ বাদি হয়ে কুলসুমী ও মার্জিনা আক্তারসহ অজ্ঞাত একাধিকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

একই দিন বিকেলে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহনাজ রহমানের ভার্চুয়াল আদালত তাদের ২ দিনেরে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, নগরের রহমতগঞ্জে একটি বাসায় ২০০৬ সালের জুলাই মাসে মোবাইলে কথা বলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গার্মেন্ট কর্মী কোহিনূর আক্তার পারভীনকে গলাটিপে হত্যা করা হয়। এরপর রহমতগঞ্জে একটি গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়। কোহিনূর আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করেন গার্মেন্ট কর্মী কুলসুম আক্তার কুলসুমী। পরে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। পুলিশ দুই বছর তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবেদন জমা দেয়।

২০১৭ সালে নভেম্বর তৎকালীন অতিরিক্ত চতুর্থ মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. নুরুল ইসলাম আসামি কুলসুম আক্তার কুলসুমীকে পারভিন হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ১ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। সাজার পরোয়ানামূলে কুলসুম আক্তার কুলসুমীর পরিবর্তে মিনু ২০১৮ সালের ১২ জুন কারাগারে যান। গত ১৮ মার্চ চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শফিকুল ইসলাম খান নারী ওয়ার্ড পরিদর্শনকালে মিনু কোনো মামলার আসামি নন বলে জানান।

গত ২৮ জুন বায়েজিদ লিংক রোড সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর ‘অজ্ঞাত’ হিসেবে মিনুর মরদেহ দাফন করা হয়। ট্রাকচাপায় মিনু আক্তারের মৃত্যুকে অস্বাভাবিক দাবি করেন আইনজীবী গোলাম মাওলা মুরাদ।

মামলার রহস্য উদ্ঘাটনঃ
রিমান্ডে থাকা আসামী কুলসুমা আক্তার কুলসুমী ও মর্জিনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, কুলসুমা আক্তার কুলসুমী হত্যা মামলায় ১ বছর ৪ মাস হাজতবাস শেষে জামিনে বের হয়ে দীর্ঘ ১০ বছর আদালতে হাজিরা দেয়। পরবর্তীতে গত ৩০ নবেম্বর ২০১৭ সালে উক্ত মামলায় কুলসুমা আক্তার কুলসুমীর যাবজ্জীবন সাজার আদেশ হওয়ায় আসামী কুলসুমা আক্তার কুলসুমী বিষয়টি আসামী মর্জিনা বেগমের সাথে আলোচনা করে এবং সাজা থেকে বাঁচার জন্য মর্জিনাকে সহযোগিতার চায়। মর্জিনা বেগম কুলসুমাকে যাবজ্জীবন সাজা হতে বাঁচানোর জন্য কুলসুমার সাজার বিষয়টি নিয়ে মোঃ শাহাদাত হোসেনের সাথে আলোচনা করে। মোঃ শাহাদাত হোসেন কুলসুমাকে বাঁচানোর জন্য মোঃ নুর আলম কাওয়ালের সাথে আলোচনা করে ১,৫০,০০০  টাকায় কুলসুমার পরিবর্তে আরেকজনকে জেলখানায় পাঠাবে বলে মর্জিনাকে জানায়। কুলসুমা বিষয়টি জানতে পেরে এক কথায় রাজি হয়ে যায় এবং ১,৫০,০০০ টাকা দিয়ে দিবে বলে জানায়। মর্জিনা মিনুকে টাকার লোভ দেখিয়ে ও এক মাসের মধ্যে জামিন করিয়ে দিবে বলে তার সাথে চুক্তি করে। সেই মোতাবেক গত ১২ জুন ২০১৮ সালে মিনুকে কুলসুমা সাজিয়ে মর্জিনা বেগমের সাথে আদালতে পাঠায়। হাজিরার দিনে মোঃ শাহাদাত হোসেন ও মর্জিনা বেগম মিনুকে আদালতে কুলসুমা সাজিয়ে নিয়ে যায় এবং কুলসুমা হিসেবে ডাক দেওয়ার সাথে সাথে মিনু হাজতে ঢুকে যায়। পরে মিনু জেলখানায় যাওয়ার পর মোঃ শাহাদাত হোসেন ও নুর আলম কাওয়াল মর্জিনা বেগমের কাছ থেকে পাওনা ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করলে মর্জিনা ও কুলসুমা আক্তার কুলসুমী টাকা যোগাড় করতে না পারায় কালক্ষেপণ করতে থাকে। টাকা দিতে না পারায় স্থানীয়ভাবে সালিশী বৈঠক করে। একপর্যায়ে মর্জিনা এবং কুলসুমা আক্তার কুলসুমী টাকা দিতে না পেরে ইপিজেড এলাকায় আত্মগোপনে থাকে।  পরে মোঃ শাহাদাত হোসেন ও নুর আলম কাওয়াল ছিন্নমূল এলাকায় কুলসুমা আক্তার কুলসুমী ও মর্জিনা বেগমের থাকা ২টি প্লট জোরপূর্বক দখল করে।

উল্লেখ্য যে, কুলসুমা আক্তার কুলসুমী সম্পূর্ণ ঘটনা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিন আহমেদের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে ।

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/৬ঃ২৯পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

সহযোগী প্রতিষ্ঠান

© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি