1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
যারা ত্যাগ করার জন্য প্রস্তুত থাকে না,তারা জীবনে ভালো কিছু অর্জন করতে পারে না: ডিআইজি আনোয়ার হোসেন - দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৩:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে ৮ মাসের এক অন্তঃসত্ত্বা নারী চুরি করতে গিয়ে ধরা! শোক বার্তাঃ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে; তবে ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা ছিল একদিন বের হবে : প্রধানমন্ত্রী করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই: মোস্তারী মোরশেদ স্মৃতি আটক দুই মডেল হচ্ছেন রাতের রাণী!মদ ও ইয়াবা খাইয়ে আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করতেন চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৮৫ গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান;মডেল পিয়াসার পর ইয়াবাসহ আটক মৌ আক্তার কল দিলেই বিনামূল্যে মিলবে আইসিইউ এম্বুল্যান্স সেবা হেলেনার বিপুল সম্পদের সন্ধান পেয়েছে র‍্যাব! সিএমপি দক্ষিণের প্রতিটি থানায় মিলবে ফ্রি পরিবহন সেবা

যারা ত্যাগ করার জন্য প্রস্তুত থাকে না,তারা জীবনে ভালো কিছু অর্জন করতে পারে না: ডিআইজি আনোয়ার হোসেন

Reporter Name
  • প্রকাশিত : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৬ জন দেখেছেন
Spread this news to

কমল চক্রবর্তীঃ সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার 
চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি হিসাবে যোগদেন গাজীপুর নগর পুলিশের কমিশনার আনোয়ার হোসেন। তিনি চট্টগ্রাম রেঞ্জে যোগ দেওয়ার পর থেকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার, নিয়মিত মামলার আসামি গ্রেফতার,পরোয়ানা তামিলসহ সার্বিক কর্মমূল্যায়ণে বেশ কয়েকবার রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা নির্বাচিত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। তিনি যোগদানের পর থেকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের সার্বিক আইন শৃঙ্খলার ব্যাপক উন্নতি হয়েছে একবাক্যে স্বীকার করা যায়।

চট্টগ্রামে যোগদানের পর মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রকাশ্যে বলেছেন, রাষ্ট্র এখানে আমাকে কেন পাঠিয়েছে? এখানে (রেঞ্জে) পুলিশ কেন দিয়েছে? নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য। চট্টগ্রামের মানুষের নিরাপত্তার জন্য, শৃঙ্খলার জন্য। আমার লক্ষ্য হলো, জনগণের সেবা করা। যেখানে যেখানে বাধা, সেখানে ডিআইজি হিসেবে আমি চেষ্টা করবো, সামনে থেকে সেই বাধাগুলোকে দূর করে জনগণের কাছাকাছি যাওয়ার জন্য। যতটুকু সহযোগিতা করা দরকার সবটুকু করার চেষ্টা করবো। তাছাড়া তিনি প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে কাজ করছেন।

২০১৯ সালের ৯ এপ্রিল গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) পুলিশ কমিশনার হিসেবে মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) যোগদান করার পর থেকে কর্মক্ষেত্রে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে একজন মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। এর আগে তিনি পুলিশ অধিদপ্তরে উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও র‍্যাব-১ ও পুলিশের বিভিন্ন শাখায় উচ্চতর পদে কর্মরত ছিলেন।

কিশোরগঞ্জ জেলার তাড়াইল উপজেলার জাওয়ার ইউনিয়নের দেওয়াটি গ্রামের কৃতী সন্তান মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপিএম (বার), পিপিএম (বার)। তাঁর পিতা আলহাজ্ব মোঃ আশরাফ হোসেন মঞ্জু মিয়া একজন আদর্শ শিক্ষক। পিতার আদর্শকে বুকে লালন করে পুলিশ ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে ১৯৯৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন।এরপর থেকে নিজের যোগ্যতাকে প্রমান করেছেন সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে। সততা ও নিষ্ঠার সাথে কর্তব্য পালন করে আজ তিনি বাংলাদেশ পুলিশের একজন গর্বিত অফিসার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন কৃতি শিক্ষার্থী হিসাবে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জনকারী মোঃ আনোয়ার হোসেন বিপিএম (বার), পিপিএম (বার) জাতিসংঘ মিশনসহ বাংলাদেশ পুলিশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন।

তিনি একজন সৎ দক্ষ ও চৌকস পুলিশ অফিসার হিসাবে বেশ সুনাম আছে। তিনি একজন ন্যায়নিষ্ঠ,কর্তব্যপরায়ন সদালাপী ও  নিরহঙ্কারী মানুষ।ব্যাক্তিগত জীবনে তিনি দুই সুযোগ্য কন্যা সন্তানের জনক।

ডিআইজি মোঃ আনোয়ার হোসেনের ফেসবুক পেইজে বিভিন্ন সময় লিখা উক্তি গুলো দেখেই ওনার জীবন ধারা ও চিন্তা চেতনা সম্পর্কে ধারণা করা যায়। নীচে ওনার বেশ কিছু উক্তি তুলে ধরা হলঃ

তিনি মনে করেন, একটি ভুল আর একটি ভুলের জন্ম দেয়। তাই সর্বোত্তম পন্থা হচ্ছে নিজের ভুল স্বীকার করা এবং ভবিষ্যতে একই ধরনের ভুল না করার অঙ্গীকার করা।
তিনি বিশ্বাস করেন, যখন কোন প্রতিজ্ঞা করা হয় তখন সেই প্রতিজ্ঞা কার্যে পরিণত করার জন্যে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হয়। অন্যথায় মানুষের বিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায়। মানুষ যে অনিষ্ট সাধন করে তা তাদের মৃত্যুর পরেও বেঁচে থাকে। তাহলে আমাদের কি করা উচিত? উত্তর খুব সহজ। অন্যের অনিষ্ট সাধন করা থেকে বিরত থাকা উচিত।

তিনি মনের মধ্যে লালন করেন,যারা ত্যাগ করার জন্য প্রস্তুত থাকে না, তারা জীবনে ভালো কিছু অর্জন করতে পারে না।

তিনি পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ় করার পাশাপাশি সমাজে শৃঙ্খলাবোধ, নৈতিকতা এবং পরস্পর পরস্পরের প্রতি মমত্ববোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান, বাবা মাকে ভালোবাসার কথা বলতে গিয়ে লেখেছেন ,শুধু বাবা দিবসে নয়, প্রতিদিনই স্মরণ করতে হবে বাবা এবং মা কে। যারা বেঁচে আছেন তাদের সেবা করতে হবে, যারা বেঁচে নেই তাদের জন্য দোয়া করতে হবে।একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির জন্য নৈতিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাকে সৎ, নীতিবান এবং বলিষ্ঠ চরিত্রের অধিকারী হতে হবে। অন্যথায় দায়িত্বশীল ব্যক্তি সমাজ বা প্রতিষ্ঠানের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি করবেন।একটি সমাজ তখনই অনুসরণীয় হয় যখন সেই সমাজে শৃঙ্খলাবোধ, নৈতিকতা এবং পরস্পর পরস্পরের প্রতি মমত্ববোধ থাকে। যে সমাজ ন্যায়বিচার, নীতিবোধ এবং মানুষের সাম্যবাদের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। আসুন আমরা সে ধরনের একটি সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করি।

তিনি সমস্যা সমাধানে সামাজিক যোগাযোগের উপর গুরুত্ব দিয়ে লেখেছেন, আমাদের সমস্যা হলো, আমরা কোন সমস্যার নিরসনে উদ্যোগী হই না, যতক্ষণ না সেই সমস্যা আমাদের ঘিরে ধরে।কার্যকর যোগাযোগ মানুষে মানুষে অনেক ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটায়, অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। কাজেই ভালো ও কার্যকর যোগাযোগের কৌশল আয়ত্ত করতে হবে।

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/৫ঃ২৩পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

About Us

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ড. খান আসাদুজ্জামান
ঠিকানাঃ এম এস প্লাজা (৮তলা) ২৮সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা-১০০০
নিউজ সেকশনঃ ০১৬৪১৪২৮৬৭০
বিজ্ঞাপনঃ ০১৯৯৬৩০৩০৭১
মফস্বলঃ ০১৭১৫২২৮৩২২
ই-মেইলঃ bangladeshshomachar@gmail.com
ওয়েবসাইটঃ www.bangladeshshomachar.com
ই-পেপার: www.ebangladeshshomachar.com
© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি