1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
প্রবর্তক সংঘ ও ইসকন মন্দির নিয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা ও নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গ করা! - দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার
সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০২:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে শোক বার্তাঃ বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে; তবে ষড়যন্ত্রের পেছনে কারা ছিল একদিন বের হবে : প্রধানমন্ত্রী করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহারের বিকল্প নেই: মোস্তারী মোরশেদ স্মৃতি আটক দুই মডেল হচ্ছেন রাতের রাণী!মদ ও ইয়াবা খাইয়ে আপত্তিকর ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করতেন চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৯৮৫ গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান;মডেল পিয়াসার পর ইয়াবাসহ আটক মৌ আক্তার কল দিলেই বিনামূল্যে মিলবে আইসিইউ এম্বুল্যান্স সেবা হেলেনার বিপুল সম্পদের সন্ধান পেয়েছে র‍্যাব! সিএমপি দক্ষিণের প্রতিটি থানায় মিলবে ফ্রি পরিবহন সেবা চসিক ভ্রাম্যমান আদালত স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা

প্রবর্তক সংঘ ও ইসকন মন্দির নিয়ে প্রাসঙ্গিক কিছু কথা ও নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গ করা!

Reporter Name
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১
  • ৪ জন দেখেছেন
Spread this news to



কমল চক্রবর্তীঃ
প্রবর্তক সংঘ ও ইসকন মন্দির নিয়ে বর্তমান সময়ে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে কিছু কথা না বললে নয়। ঘটনা প্রবাহ দেখে মনে হচ্ছে নিজের নাক কেটে অন্যের যাত্রাভঙ্গ করার মত পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে! যা কারো জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। প্রসঙ্গত, প্রবর্তক সংঘ এক সংবাদ সন্মেলনে অভিযোগ করেছেন প্রবর্তক সংঘ থেকে মন্দিরে ওঠার জন্য ভেতরের সিঁড়িটি ইসকন নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে। মন্দিরের আশপাশে চুক্তিবহির্ভূত জায়গায় তারা অনুপ্রবেশ করেছে। বায়েজিদ বোস্তামী রোড থেকে মন্দিরে ওঠার পথে ভেতরে নিরাপত্তা চৌকি সংলগ্ন একটি শতবর্ষ প্রাচীন গাছ রাতের অন্ধকারে কেটে ফেলা হয়েছে। এতে পাহাড়ের মাটির ক্ষতি হচ্ছে। ইসকনের কয়েকজনকে আসামি করে ইতিমধ্যে চট্টগ্রাম আদালতে মামলাও করেছে প্রবর্তক সংঘ।

সংবাদ সন্মেলনে আরো বলা হয়েছে, প্রবর্তক সংঘের অনুমতি ছাড়া ইসকন নাম ব্যবহার করে বিদ্যুৎ বিভাগ, কর্ণফুলী গ্যাস ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষের কাছে মিথ্যা ও জাল দলিল দিয়ে সংযোগ নেওয়া হয়েছে। দায়ীদের শাস্তির আওতায় এনে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য প্রবর্তক সংঘের পক্ষ থেকে সব প্রতিষ্ঠানে আবেদন করা হয়েছে। এ ছাড়া দুদকে প্রবর্তক সংঘের পক্ষ থেকে ইসকনে্র বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়। ইসকন কর্তৃপক্ষ প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির নির্মাণে ১০০ থেকে ১৬০ কোটি টাকা খরচ করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনাদের কথাই সঠিক বলে ধরে নিলাম,তারা আপনাদের সাথে চুক্তির শর্ত মানেনি। তার জন্য তাদের সাথে আলোচনা করে কি সমাধান করতে পারতেন না? আবার ধরেই নিলাম প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দির নির্মাণে ১০০ থেকে ১৬০ কোটি টাকা খরচ করেছে। তো একবার ভাবুন তো কার জন্য এই টাকা ব্যয় করেছে? নিশ্চয়ই আপনারাও এক বাক্যে আমার সাথে স্বীকার করবেন ওরা কোন ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান বানানো বা নিজেদের জন্য প্রাসাদ বানানোর জন্য করেননি। করেছেন শ্রীকৃষ্ণ মন্দির নির্মাণের জন্য। আর মন্দির কারো ব্যাক্তিগত সম্পদ নয় এটা সার্বজনীন। ওখানে আমার আপনার টাকা ছিলনা নিশ্চয়ই। ওনাদের ভক্তদের দেওয়া অনুদানেই তৈরি হয়েছে এই মন্দির। তাহলে আমার প্রশ্ন আপনারা কার বিরুদ্ধে লড়ছেন? ইসকন কোন ব্যাক্তি নয় একটা প্রতিষ্ঠান। ওরা ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মন্দির নির্মাণ করেছেন। ওরা ভক্তদের টাকায় একটা নান্দনিক মন্দির নির্মাণ করেছেন এটা আমাদের সনাতনী সমাজের বড় সম্পদ। এতে কারো মাথা ব্যাথার কারন থাকতে পারে না। এর আগে কি আমাদের হিন্দুদের মধ্যে কেউ এমন উদ্যোগ নিয়েছেন? আমরা যা পারিনি তা ওরা আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে করে দেখিয়েছে এর জন্য ওদের সাধুবাদ দিতে হয়। তবে হ্যাঁ ওরাও যে ধোঁয়া তুলসী পাতা তা বলা যাবে না। ওদেরও দোষ গুন আছে! ওদের কিছু কিছু বিষয়ে বিতর্ক আছে অস্বীকার করা যায় না। ওদের বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ এনেছেন তা কোন ভাবেই উড়িয়ে দেয়া যায় না। অভিযোগ থাকতেই পারে!

শুনেছি আপনারা বিদ্যুৎ বিভাগ, কর্ণফুলী গ্যাস ও ওয়াসা কর্তৃপক্ষের কাছে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য আবেদন করেছেন। ভালো দেশ প্রেমিক হিসাবে এমনটা করতেই পারেন। তবে প্রশ্ন এই যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কথা বলেছেন তাতে কি শুধু ইসকন ভক্তরাই অসুবিধায় পরবে? বিদ্যুৎ না থাকলে মন্দিরের ভগবানও যে অন্ধকারে থাকবে! মন্দিরে বাতি জ্বলবে না। পানি ও গ্যাস না থাকলে ভগবানের ভোগ নিবেদন হবে না। তাই ঠাণ্ডা মাথায় একবার নয় হাজার বার ভাবুন কার বিরুদ্ধাচরন করছেন? কার স্বার্থের জন্য লড়াই করছেন? ওরা হিন্দু ধর্মের বাইরের কেউ না। ওরা যেমন আপনাদের সংগঠনের বিষয়ে মাথা ঘামানোর অধিকার রাখে না তেমনি আপনাদেরও ওদের সংগঠনের বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত?

আরেকটি বিষয় ধরেই নিলাম মন্দিরের আশপাশে চুক্তিবহির্ভূত জায়গায় তারা অনুপ্রবেশ করেছে। তা কার জন্য নিয়েছে বলেন, মন্দিরে আগত ভক্তদের যাতে স্থান সংকুলান হয় সেই জন্য হয়ত করেছে। তাতে এমন কিছু মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যায়নি । এটা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেত বৈকি। যেখানে চট্টগ্রামে্র বিভিন্ন পাহাড়ে হাজার হাজার একর জায়গা ভুমিদস্যুদের অবৈধ দখলে। জেনেছি প্রবর্তক সংঘের অনেক জায়গা বেদখল হয়ে যাচ্ছে। সে গুলো নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা নেই। সেখানে ওরা মন্দিরের সুবিধার্থে বাড়তি জায়গা নিয়েছে এতে অন্য কোন উদ্দেশ্য থাকতে পারে না। কারন তারা এখানে কোন ব্যাক্তিগত স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেনি। যতদূর জানি মন্দিরের জায়গা নির্বাচনে আপনাদের সন্মতি ছিল। তাহলে হটাৎ করে কি কারনে দৃশ্য পট পাল্টে গেল?  আমার সাথে প্রশ্ন লক্ষ সনাতনী ভক্তদের। এর জবাব আপনারাই ভালো দিতে পারবেন।

তবে যে যাই বলুক, আমি মনে করি প্রবর্তক সংঘ ও ইসকন মন্দির নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবৎ যে ঘটনাগুলো ঘঠছে তা কারো জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। আপনাদেরকে সেবার ভার দেওয়া হয়েছে-নি:স্বার্থভাবে সনাতনীদের জন্য কাজ করবেন এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। পরিস্থিতি ঘোলাটে করে তৃতীয় পক্ষকে সুযোগ করে দিবেন না। খাল কেটে কুমির আনবেন না। দু’পক্ষকে বলছি অনুগ্রহ করে সমস্যার সুন্দর সমাধান করুন যাতে মন্দিরের কোন ক্ষতি না হয়, সনাতনী সমাজের মুখে কলঙ্ক না লাগে। প্রবর্তক সংঘ কারো ব্যক্তিগত সম্পদ না, সকল সনাতনীদের। তাই সকল সনাতনীদের কল্যানেই কাজ করতে হবে। শ্রীকৃষ্ণ মন্দির কিন্তু সনাতনীদেরই মন্দির। তাই ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়া, আক্রোশ, বিদ্বেষ ও ভেদাভেদ ভুলে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সমাধানের পথ খুঁজে বের করাই সকলের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে।

ইতিমধ্যে জামালখান ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন বলেছেন, প্রবর্তক সংঘ ও ইসকন মন্দির নিয়ে যে সমস্যাটি তৈরি হয়েছে সেই সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমাদের সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে। আমরা চাইবো দুই পক্ষের সমন্বয়ে সংঘও মন্দিরটি কিভাবে সুন্দর ভাবে পরিচালিত হয় সেই বিষয়ে আমরা উদ্যোগ নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করব। সকলের সহযোগীতা কামনা করছি। আমার সাথে আছে কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী,পুলক খাস্তগীর,নিলু নাগ,রুমকি সেন গুপ্তা।

আমি ব্যাক্তিগত ভাবে সাধুবাদ জানাই শৈবাল দাশ সুমনকে এমন একটি মহতি উদ্যেগ গ্রহণ করা জন্য। আশাকরি অচিরেই এর সুন্দর সমাধান আসবে।

শুনেছি প্রবর্তক সংঘ মন্দিরে আনসার মোতায়েন করতে চেয়েছিল। কিন্তু সনাতনীদের প্রতিরোধের মধ্যে দুই দফা তারা পিছু হটেছে। ইতিমধ্যে চট্টগ্রামের সনাতনী ১৮টি সংগঠনের সমন্বয়ে একটি মোর্চা গঠন করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। তৈরী হয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। এই মোর্চা ইসকনের সঙ্গে আলেোচনা করেছে এবং প্রবর্তক সংঘের সাথে বসার জন্য কাজ করছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছে প্রবর্তক সংঘ গত ৫০ বছর তারা সনাতনীদের জন্য কি করেছে? তারা ধর্মের জন্য কি করেছে? কিভাবে এত জমি বেদখলে গেল?  যাক এসব বিষয় না হয় ঘাটলাম না। তাতে কি? কেঁচো খুঁড়তে অনেক সময় সাপ বেড়িয়ে আসে।

তাই আবারও বলছি সনাতন ধর্ম ও মন্দিরকে নিয়ে কেউ রাজনীতি করবেন না। পরিস্থিতি ঘোলাটে করবার চেষ্টা করবেন না। তাতে কারো জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে না। উভয় পক্ষের নিকট অনুরোধ, অনুগ্রহ করে সমস্যার সুন্দর সমাধান করুন। যাতে মন্দির হয়ে উঠে সকল ধর্মপ্রাণ ভক্তবৃন্দের জন্য সুন্দর আবাসস্থল।

জানা গেছে ,ইসকনের সঙ্গে চুক্তি বাতিলের জন্য আইনগত প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে প্রবর্তক সংঘ। শর্তভঙ্গ, প্রবর্তক সংঘের ভূমি আত্মসাৎ, প্রবর্তক শ্রীকৃষ্ণ মন্দিরে ভক্তদের দানের অর্থ লোপাটসহ ইসকনের বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে চুক্তি বাতিলের এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন প্রবর্তক সংঘের সাধারণ সম্পাদক তিনকড়ি চক্রবর্তী। আমি বলব ওই পথে অগ্রসর না হয়ে আলোচনায় বসেন। ইতিমধ্যে ইসকনকে অনেকে জঙ্গি সংগঠন উপাধি দিয়ে বসে আছে।অনেকেই আছে যেকোন মুল্যে বাংলাদেশে ইসকনের কার্যক্রম বন্ধ করতে চায়। বলুন এটা কি কোনভাবে কাম্য। ওরা কোন ভাবে আক্রান্ত হলে আমি আপনি কতটুকু নিরাপদ? দুই পক্ষের বিরোধের সুযোগ নিতে অনেকে বিড়াল তপসীর মত ওত পেতে আছে। আপনারদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস নিচ্ছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন? প্রবর্তক সংঘ এবং ইসকনের এই সমস্যা কি শুধুই জমি নিয়ে নাকি এর পিছনে অন্য কোন উদ্দেশ্য রয়েছে? প্রবর্তক সংঘ অনেক পুরাতন একটি সংগঠন। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে অনেক বড় ভুমিকা ছিলো সংগঠনটির কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশে প্রবর্তক সংঘ অনেকটাই বিলুপ্তপ্রায়। বাংলাদেশের বেশিরভাগ হিন্দুই এখন এই সংগঠন কে চিনেই না। অন্যদিকে ইসকন বর্তমানে বাংলাদেশ তথা সারাবিশ্বে সবচেয়ে শক্তিশালী সনাতনী সংগঠন। তাই আসুন প্রবর্তক সংঘকে শক্তিশালী করে সকল সনাতনীদের আস্থা ও নির্ভরতার জায়গায় পরিনত করুন। সনাতনী সম্প্রদায়ের কল্যানের জন্য কাজ করুন। সনাতনী সম্প্রদায়ের অধিকার আদায়ে সচেষ্ট হোন। নির্যাতিত নিপীড়িত সনাতন সম্প্রদায়ের পাশে দাঁড়ান। মন্দিরের ইস্যু নিয়ে নিজেদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি করবেন না। হিন্দুদের সম্পত্তি হিন্দুদের মন্দির গড়ার জন্য দখল হয়েছে তাতে দোষের কিছু দেখছি না। আলোচনা করে সমাধান করেন। ব্যাক্তিগত আবেগ, চাওয়া পাওয়া সব ঝেরে ফেলে দিন। এটা শুধু মাত্র দৃষ্টি ভঙ্গির ব্যাপার। আমি এক বাক্যে বলব হিন্দুদের বড় শত্রু কিন্তু হিন্দুরাই। নিজেদের মধ্যে প্রতিহিংসা, বিদ্বেষ,ভেদাভেদ প্রবল!ধর্মীয় ঐক্য ও একে অপরের প্রতি সহনশীলতা নেই বললেই চলে। এর থেকে বেড়িয়ে আসতে না পারলে, নিজেদের মধ্যে ঐক্য ধরে রাখতে না পারলে আমাদের জন্য শুভকর কিছু হবে না।

লেখকঃ কমল চক্রবর্তীঃ সিনিরয় স্টাফ রিপোর্টার ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়কারী দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার ও দ্যা ডেইলী বাংলাদেশ ডায়েরী
চীফ নিউজ এডিটর – নিউজ আপডেট২৪আওয়ার.কম


বিএস/কেসিবি/সিটিজি/১২ঃ৫৭পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

About Us

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ড. খান আসাদুজ্জামান
ঠিকানাঃ এম এস প্লাজা (৮তলা) ২৮সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা-১০০০
নিউজ সেকশনঃ ০১৬৪১৪২৮৬৭০
বিজ্ঞাপনঃ ০১৯৯৬৩০৩০৭১
মফস্বলঃ ০১৭১৫২২৮৩২২
ই-মেইলঃ bangladeshshomachar@gmail.com
ওয়েবসাইটঃ www.bangladeshshomachar.com
ই-পেপার: www.ebangladeshshomachar.com
© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি