1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
ফটিকছড়িতে লকডাউনের প্রভাব;পঁচে যাচ্ছে উৎপাদিত মৌসুমি ফল - দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৮:২৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে সফেন প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক বহুমুখী শিল্পস্রষ্টা ড. খান আসাদুজ্জামান ও তাঁর সহধর্মিনী পুলিশ সুপার মাক্সুদা আকতার খানম পিপিএম-কে ঘিরে সুধী সমাবেশ ও সংবর্ধনা রাজশাহী মেডিকেলে একদিনে করোনা ভাইরাসে আরও ১৭ জনের প্রাণহানী পরীমনি ও রাজ মিলে গড়ে তোলেন অপরাধ সাম্রাজ্য;পরিমনি ও রাজসহ আটক ৪ নগরীতে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত;১৫৭ মামলায় ৯৯ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিক আল রাহমানের বাবা চলে গেলেন না ফেরার দেশে পতেঙ্গায় তেল চোরাই চক্র সক্রিয়; ২ হাজার লিটার চোরাই তেলসহ আটক ৩ নেত্রকোণা পৌর ভূমি অফিসের পুরাতন ভবনটি ভুমি যাদুকর ঘোষণা- নতুন ভবন উদ্ভোদন   পিকআপে করে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আসছিল দেড় কোটি টাকার ইয়াবার চালান ! বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী মোবাইল ফোন অপারেটররা ফেরত দিচ্ছে অব্যবহৃত ডাটা

ফটিকছড়িতে লকডাউনের প্রভাব;পঁচে যাচ্ছে উৎপাদিত মৌসুমি ফল

Reporter Name
  • প্রকাশিত : শুক্রবার, ২ জুলাই, ২০২১
  • ৬ জন দেখেছেন
Spread this news to

সজল চক্রবর্তী, ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:
চলছে মধুমাস। এ সময় উপজেলার উত্তরাঞ্চলে উৎপাদিত মৌসুমি ফল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য স্থানেও নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে ফটিকছড়িতে টানা লকডাউনের কারণে এসব ফলমূল বাজারজাত করা গেলেও ক্রেতার অভাবে অবিক্রিত থেকে যাচ্ছে। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন চাষীরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার বাগানবাজার, দাঁতমারা, নারায়ণহাট, ভূজপুর ও হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের প্রায় প্রতিটি বাজারে ড্রাগন, আম, কাঁঠাল, আনারস, পেয়ারা, লেবুর পাশাপাশি বর্ষাকালীন নানাবিধ সবজি বিত্রির জন্য তোলা হলেও বাজার একেবারে ক্রেতাশূন্য। অথচ বছরের এ সময়ে বাজারগুলোতে স্থানীয় ক্রেতার পাশাপাশি আশেপাশের জেলা-উপজেলাগুলোর বেপারীরা এসে সেগুলো কিনে নিয়ে যেতেন। কিন্তু বিগত এক সপ্তাহ ধরে ফটিকছড়িতে টানা লকডাউনের কারণে এসব ফল ক্রেতার অভাবে পঁচে যাচ্ছে। অথচ ফল বাণিজ্য ঘিরে এখানে প্রতি মৌসুমে শতকোটি টাকার লেনদেন হয়ে থাকে। গেল লকডাউনে সীমিত পরিসরে বেচাকেনা করা গেলেও এবার কড়া লকডাউনের কারণে তা সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে স্থানীয় একাধিক পাইকারী বিক্রেতার সাথে কথা হলে তারা বলেন, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ক্রেতার জন্য অপেক্ষা করেছি। কিন্তু একজন ক্রেতাও আসেনি। এতগুলো ফল ঘরে নিয়ে কী করবো। ফলগুলো এত বেশী পাকা, পরদিন যে বাজারজাত করবো তারও কোনো উপায় নেই। এমতাবস্থায় আমরা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়েছি।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হোসাইন মুহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, পণ্যপরিবহন করার ক্ষেত্রে আমরা প্রশাসনকে সহযোগীতার অনুরোধ জানিয়েছি, বিশেষ করে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মৌসুমি ফলমূল ও শাকসবজি যাতে সহজে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে আনা-নেওয়া করা যায় সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/৬ঃ৩০পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

About Us

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ড. খান আসাদুজ্জামান
ঠিকানাঃ এম এস প্লাজা (৮তলা) ২৮সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা-১০০০
নিউজ সেকশনঃ ০১৬৪১৪২৮৬৭০
বিজ্ঞাপনঃ ০১৯৯৬৩০৩০৭১
মফস্বলঃ ০১৭১৫২২৮৩২২
ই-মেইলঃ bangladeshshomachar@gmail.com
ওয়েবসাইটঃ www.bangladeshshomachar.com
ই-পেপার: www.ebangladeshshomachar.com
© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি