1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম,অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংসদে তোপের মুখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী - দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে চট্টগ্রামে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালিত সফেন প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক বহুমুখী শিল্পস্রষ্টা ড. খান আসাদুজ্জামান ও তাঁর সহধর্মিনী পুলিশ সুপার মাক্সুদা আকতার খানম পিপিএম-কে ঘিরে সুধী সমাবেশ ও সংবর্ধনা রাজশাহী মেডিকেলে একদিনে করোনা ভাইরাসে আরও ১৭ জনের প্রাণহানী পরীমনি ও রাজ মিলে গড়ে তোলেন অপরাধ সাম্রাজ্য;পরিমনি ও রাজসহ আটক ৪ নগরীতে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত;১৫৭ মামলায় ৯৯ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিক আল রাহমানের বাবা চলে গেলেন না ফেরার দেশে পতেঙ্গায় তেল চোরাই চক্র সক্রিয়; ২ হাজার লিটার চোরাই তেলসহ আটক ৩ নেত্রকোণা পৌর ভূমি অফিসের পুরাতন ভবনটি ভুমি যাদুকর ঘোষণা- নতুন ভবন উদ্ভোদন   পিকআপে করে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আসছিল দেড় কোটি টাকার ইয়াবার চালান ! বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী

স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম,অব্যবস্থাপনা নিয়ে সংসদে তোপের মুখে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

Reporter Name
  • প্রকাশিত : বুধবার, ৩০ জুন, ২০২১
  • ৫ জন দেখেছেন
Spread this news to

ডেস্ক রিপোর্টঃ
স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, লোকবল নিয়োগ না হওয়া নিয়ে সাংসদদের তোপের মুখে পড়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। জবাব দিতে গিয়ে মন্ত্রী সাংসদদের নিজ এলাকার হাসপাতালের দায়িত্ব নিতে বলেন। ঢালাও অভিযোগ অগ্রহণযোগ্য বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় বিরোধী দলের সাংসদেরা হইচই করে প্রতিবাদ জানান।

আজ বুধবার ৩০ জুন সংসদে বাজেট পাসের সময় মন্ত্রণালয় ও বিভাগ–সম্পর্কিত ৫৯টি মঞ্জুরি দাবির তিনটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ নিয়ে আলোচনা হয়। এগুলো হলো আইন মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও গণফোরামের সদস্যরা ছাঁটাই প্রস্তাবের ওপর তাঁদের বক্তব্য দেন।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের ছাঁটাই প্রস্তাব নিয়ে আলোচনার সময় জাতীয় পার্টির পীর ফজলুর রহমান বলেন, ‘কতবার ডিও (আধা সরকারি) লেটার দেব? আমার এলাকার হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স নেই, ডাক্তার কবে পাব? এক্স–রে মেশিন কবে পাব? রেডিওলজিস্ট কবে পাব? স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যতবার বলি, উনি ডিও লেটার দিতে বলেন। কতবার দেব?’

মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ দাবি সম্পর্কে পীর ফজলুর বলেন, ‘চলমান বরাদ্দের টাকাই খরচ করতে পারেনি। আবার বরাদ্দ চেয়েছেন।’

জাপার আরেক সাংসদ শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, ‘স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় টাকা খরচ করতে পারেনি। ফেরত দিয়েছিল। এটা আমরা চাই না। খরচ করতে না পারলে এখানে ৩৫০ জন এমপিকে ভাগ করে দেন। আমরা খরচ করি। স্বাস্থ্যসেবা আমরা দেখব। আপনাদের দরকার নেই। ডাক্তার-নার্স নিয়োগ করতে পারছেন না। ৩৫০ এমপিকে দায়িত্ব দেন। আমরা নিয়োগের ব্যবস্থা করি।’

বিএনপির রুমিন ফারহানা স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন অনিময় তুলে ধরে বলেন, ‘এই যে বরাদ্দ দিচ্ছি সেটা কোথায় যাচ্ছে? বরাদ্দ খরচ করার সক্ষমতা মন্ত্রণালয়ের আছে কি না, সেই প্রশ্ন চলে আসছে।’

বিএনপির হারুনুর রশীদ বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দুর্নীতি দূর করতে হলে ডালপালা কেটে লাভ নেই। গাছের শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। স্বাস্থ্যের কেনাকাটায় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। দুর্নীতি নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।’

জাতীয় পার্টির মুজিবুল হক বলেন, ‘এরশাদ সরকারের সফল মন্ত্রীর ছেলেকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী করেছেন প্রধানমন্ত্রী। মনে করেছিলেন সফল হবেন। ভবিষ্যতে সফল হবেন বলে আশা করছি। তবে ৯ মাস হাসপাতালের যন্ত্রপাতি বিমানবন্দরে পড়ে থাকে কীভাবে?’

এ ছাড়া বিএনপির মোশাররফ হোসেন, জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী স্বাস্থ্য খাতের নানা অনিয়ম নিয়ে কথা বলেন। করোনাভাইরাসের টিকার অপ্রতুলতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিরোধী দলের সদস্যরা।

পরে জবাব দিতে উঠে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক একপর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা হাসপাতালের চেয়ার। আপনাদের দায়িত্ব আছে। আপনাদের দায়িত্ব নিতে হবে।’

দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মাস্ক নিয়ে কথা বলছেন। মাস্ক তো কোনো দিন কেনাই হয়নি। রিসিভ করা হয়নি। তার পেমেন্ট দেয়া হয়নি। ঢালাও অভিযোগ দিলে তো চলবে না।’এ সময় বিরোধী দলের বেঞ্চ থেকে হইচই হয়। স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করেন জাতীয় পার্টি ও বিএনপির সংসদরা। স্বাস্থ্যমন্ত্রী একটু থেমে গেলে সামনে বসা তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী তাঁকে বক্তব্য চালিয়ে যেতে ইশারা করেন।

মন্ত্রণালয়ের অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে জাহিদ মালেক বলেন, সুনির্দিষ্ট করে বলতে হবে। ঢালাওভাবে অনিয়মের কথা বললে গ্রহণযোগ্য হবে না। সুনির্দিষ্ট বলতে হবে কোথায় দুর্নীতি হয়েছে?

এ সময় বিরোধী দলের দিকে থেকে আবার হইচই হলে মন্ত্রী বলেন, ‘মাস্কের কোনো টাকাই তো দেওয়া হয়নি। সুনির্দিষ্ট করে বলতে হবে। ঢালাওভাবে বললে হবে না।’ এ পর্যায়ে আবারও হইচই হয়। একপর্যায়ে মন্ত্রী বিরোধী দলের সদস্যদের ছাঁটাই প্রস্তাব গ্রহণ করা হবে না বলে জানান।

মন্ত্রী জানান, ২ ও ৩ জুলায়ের মধ্যে মডার্নার ২৫ লাখ টিকা আসবে। একই সময়ে চীন থেকেও টিকা আসবে। কোভাক্সের মিলিয়ে ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ কোটি টিকার ব্যবস্থা আছে। এ ছাড়া জনসন অ্যান্ড জনসনের ৭ কোটি টিকা আগামী বছরের প্রথম প্রান্তিকে পাওয়া যাবে। তখন দেশের ৮০ শতাংশ মানুষকে টিকা দেওয়া যাবে।

গত অর্থবছরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বাড়তি ৮ হাজার কোটি টাকা খরচ করেছে বলে জাহিদ মালেক জানান। তিনি বলেন, টাকা খরচ করতে না পারার অভিযোগ ঠিক নয়।

বাড়তি খরচের হিসাব দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, টিকা কেনায় তিন হাজার, করোনা পরীক্ষায় দুই হাজার এবং কোভিড রোগীর চিকিৎসায় দুই হাজার কোটি টাকা খরচ হয়েছে।

দেশের স্বাস্থ্যসেবা ‘ভালো’ দাবি করে জাহিদ মালেক বলেন, ভারতে অক্সিজেনের ঘাটতি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে হয়নি। গত এক বছর সবকিছু বন্ধ। চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে যেতে পারছে না কেউ। তাঁরা তো দেশের হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/৮ঃ৫৩পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

About Us

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ড. খান আসাদুজ্জামান
ঠিকানাঃ এম এস প্লাজা (৮তলা) ২৮সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা-১০০০
নিউজ সেকশনঃ ০১৬৪১৪২৮৬৭০
বিজ্ঞাপনঃ ০১৯৯৬৩০৩০৭১
মফস্বলঃ ০১৭১৫২২৮৩২২
ই-মেইলঃ bangladeshshomachar@gmail.com
ওয়েবসাইটঃ www.bangladeshshomachar.com
ই-পেপার: www.ebangladeshshomachar.com
© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি