1. admin@bangladeshshomachar.com : admin :
ভোগান্তির আরেক নাম প্রিপেইড মিটার;গ্রাহকের অভিযোগ! - দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মাঝারি ও ছোটরা এখনো দুর্দিনে চট্টগ্রামে শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী পালিত সফেন প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক বহুমুখী শিল্পস্রষ্টা ড. খান আসাদুজ্জামান ও তাঁর সহধর্মিনী পুলিশ সুপার মাক্সুদা আকতার খানম পিপিএম-কে ঘিরে সুধী সমাবেশ ও সংবর্ধনা রাজশাহী মেডিকেলে একদিনে করোনা ভাইরাসে আরও ১৭ জনের প্রাণহানী পরীমনি ও রাজ মিলে গড়ে তোলেন অপরাধ সাম্রাজ্য;পরিমনি ও রাজসহ আটক ৪ নগরীতে জেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত;১৫৭ মামলায় ৯৯ হাজার টাকা জরিমানা সাংবাদিক আল রাহমানের বাবা চলে গেলেন না ফেরার দেশে পতেঙ্গায় তেল চোরাই চক্র সক্রিয়; ২ হাজার লিটার চোরাই তেলসহ আটক ৩ নেত্রকোণা পৌর ভূমি অফিসের পুরাতন ভবনটি ভুমি যাদুকর ঘোষণা- নতুন ভবন উদ্ভোদন   পিকআপে করে কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামে আসছিল দেড় কোটি টাকার ইয়াবার চালান ! বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামাল এর ৭২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী

ভোগান্তির আরেক নাম প্রিপেইড মিটার;গ্রাহকের অভিযোগ!

Reporter Name
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২৯ জুন, ২০২১
  • ৬ জন দেখেছেন
Spread this news to

কমল চক্রবর্তীঃ
বর্তমান সময়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বিপুল উন্নতি সাধিত হয়েছে এক বাক্য স্বীকার করা যায়। বিদ্যুৎ উৎপাদনে সক্ষমতা বাড়ায় গ্রাহকরা পাচ্ছে চাহিদা মত বিদ্যুৎ। অতীতের তুলনায় লোডশেডিং অনেকটাই কমেছে। তাতে করে নাগরিক ভোগান্তি অনেকটা লাগব হয়েছে বলা যায়। কিন্তু বিদ্যুৎ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রিপেইড মিটার নিয়ে নানামুখী ভোগান্তির অভিযোগ করছেন গ্রাহকরা। অতিরিক্ত টাকা কাটা হচ্ছে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ। কার্ড রিচার্জ করলে শুরুতেই ভ্যাট, মিটার ভাড়া,ডিমান্ড চার্জ,রিবেট চার্জ বাবদ অনেক টাকা কেটে নেওয়া হয় এক হাজার টাকায় প্রায় দুইশত টাকা কেটে নেয়া হয়। তাছাড়া মোবাইল দোকান থেকে টাকা রিফিল করলে ওদেরকে হাজারে ২০ টাকা দিতে হয়। মিটারের ব্যাটারি শেষ হলে পড়তে হয় আরেক ভোগান্তিতে সেইসাথে গুনতে হয় হাজার টাকা। কিন্তু একসময় মিটারের ব্যাটারি লো’ হয়ে গেলে ব্যাটারি পরিবর্তনের জন্য গ্রাহকদের কোনো ফি দিতে হতো না। বন্ধের দিন হলে তো কথাই নেই অপেক্ষা করতে হয় দুই থেকে তিন দিন।

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটার নিয়ে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে গ্রাহকদের। লো ব্যাটারিসহ কোনো কারণ ছাড়াই মিটার লক হয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে অনেক গ্রাহকের। এসব মিটারের লক ছাড়াতে গ্রাহকদের ধরনা দিতে হচ্ছে পিডিবি কার্যালয়ে। গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

এমন নানা ধরনের ভোগান্তির অভিযোগ উঠলেও বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো বলছে, সমস্যা এখন প্রায় নেই বললেই চলে। তারা নানাভাবে গ্রাহককে সেবা দিতে চেষ্টা করছেন। তবে প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের নিয়ম পুরোটা না জানায় কিছু সমস্যা হচ্ছে বলে তারা স্বীকার করেন। সারাদেশে বিদ্যুৎ বিতরণে প্রিপেইড মিটার বসাচ্ছে বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো। আগামী ৫ বছরের মধ্যে সব গ্রাহককে প্রিপেইড মিটারের আওতায় আনার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। তবে ধীরগতি হওয়ায় এর কাজ শেষ হতে আরও সময় লাগার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সারাদেশে ৩ কোটির বেশি বিদ্যুৎ গ্রাহক রয়েছে। তবে প্রিপেইড মিটার নেই ৫০ লাখ গ্রাহকের ঘরেও। প্রত্যেকটি বিতরণ কোম্পানি পৃথকভাবে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করছে। তবে একই বাড়িতে দুই ধরনের মিটার এখনও রয়ে গেছে। বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা বলছে, মিটার সংকটের কারণে তারা নতুনদের প্রিপেইড মিটার দিতে পারছেন না।

পিডিবির আওতাধীন বাকলিয়া এলাকার গ্রাহকদের রয়েছে দুই রকম বক্তব্য। বাকলিয়া দেওয়ান বাজার এলাকার বাসিন্দা শিবলী চৌধুরী জানান, প্রিপেইড মিটারে আগের তুলনায় বিল বেশি আসছে। ৮০০ টাকা ঢুকালে মাস না ফুরাতে টাকা শেষ হয়ে যায় । আগে বিল আসতো ২৭০/৩৪০ টাকা। অথচ বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে আগের মতই। লকডাউনে ২০ দিন বাসায় ছিলাম না। বাসায় ফ্রিজ ছাড়া সব কিছু বন্ধ ছিল। এসে দেখি মিটারে টাকা নেই। মোটকথা নতুন ভোগান্তি যোগ হয়েছে এই প্রিপেইড মিটারে।

আবার চকবাজার এলাকার বাসিন্দা রমেন ভট্টাচার্য বলেন প্রিপ্রেইড মিটার ব্যবহার করে তার কোনও সমস্যা হচ্ছে না। তবে একই এলাকার বাসিন্দা একরাম হোসেন জানান, আগের তুলনায় বিল বেশি আসছে। আগে যখন অন্য সেক্টরে ছিলেন বিল আসতো ৩০০/৪০০  টাকা। এখন তাকা ঢুকাতে হয় ৮০০/৯০০ টাকার মতো।

শহরের সদরঘাট এলাকার গ্রাহক সাইফুল ইসলাম বলেন, গত মাসে মিটার রিচার্জের পর হঠাৎ করেই সন্ধ্যার দিকে আমার মিটারটি লকড হয়ে যায়। পরবর্তী দুদিন শুক্র ও শনিবার হওয়ায় বিদ্যুৎ অফিস বন্ধ থাকায় অন্ধকারেই থাকতে হয়। পরে জরিমানা দিয়ে মিটার অনলকের টোকেন এনে মিটারের লক ছাড়ানো হয়।’

তবে বিদ্যুৎ বিভাগের লোকজন বলছে, এখন আর গ্রাহকদের ব্যাংকের লাইনে দাঁড়িয়ে বিল দিতে হচ্ছে না। রকেট বা বিকাশের মাধ্যমেই প্রিপেইড মিটারের কার্ড রিচার্জ করা যাচ্ছে।’ তবে নতুন নেওয়া অনেক গ্রাহক বিষয়টি না জানায় সমস্যায় পড়তে পারেন। কার্ডের টাকা শেষ হলেও বাকিতে (ক্রেডিট) দুই দিন ব্যবহার করা যায়। গ্রাহক সচেতনতা বাড়াতে লিফলেট বিলি করা হচ্ছে।

মোটকথা প্রিপেইড মিটার ব্যবহারের ক্ষেত্রে গ্রাহকের অভিযোগের অন্ত নেই। তাই বিদ্যুৎ বিভাগকে আরো বেশি সজাগ ও সচেতন হতে হবে যাতে গ্রাহক ভোগান্তির স্বীকার না হয়। বর্তমান বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যে আমুল পরিবর্তন এসেছে তার গুনগত মান বজায় রাখতে হবে। বিদ্যুৎ বিতিরন বিভাগকে অতিরিক্ত বিল ও চার্জ এর বিষয়গুলো খতিয়ে দেখতে হবে। সেইসাথে ট্যাকনিক্যাল সমস্যাগুলো সমাধান করে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করতে হবে। যেসব এলাকায় এখনো প্রিপেইড মিটার স্থাপন করা হয়নি সেখানে প্রিপেইড মিটার স্থাপন করে শতভাগ প্রিপেইড মিটারের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। তবে ট্যাকনিক্যাল সমস্যাগুলো আগে সমাধান করতে হবে। দেখা যায় একই এলাকায় কোথাও প্রিপেইড মিটার আবার কোথাও আগের মিটার। গ্রাহক হয়রানি বন্ধ হোক এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। না হয় সরকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন এনেছে তা জনগনের কাছে মনপুত হবে না।

বিএস/কেসিবি/সিটিজি/২ঃ০৯পিএম

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো সংবাদ

About Us

সম্পাদক ও প্রকাশকঃ ড. খান আসাদুজ্জামান
ঠিকানাঃ এম এস প্লাজা (৮তলা) ২৮সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল, বা/এ, ঢাকা-১০০০
নিউজ সেকশনঃ ০১৬৪১৪২৮৬৭০
বিজ্ঞাপনঃ ০১৯৯৬৩০৩০৭১
মফস্বলঃ ০১৭১৫২২৮৩২২
ই-মেইলঃ bangladeshshomachar@gmail.com
ওয়েবসাইটঃ www.bangladeshshomachar.com
ই-পেপার: www.ebangladeshshomachar.com
© All rights reserved © 2021 The Daily Bangladesh Shomachar
প্রযুক্তি সহায়তায় একাতন্ময় হোস্ট বিডি