গাজীপুরে শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সামাজিক দূরত্ব না মেনে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন গ্রহণ

স্টাফ রিপোর্টারঃ এম হাসান

লকডাউন উপেক্ষা করে কোভিড-১৯ ভ্যাক্সিন নিতে গাজীপুর শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বেড়েছে মানুষের ভীর।সরেজমিনে দেখা যায় হাসপাতালের ৫ ম ও ষষ্ঠ তলায় ভ্যাক্সিন নিতে আসা মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে গাদাগাদি কারে লাইনে দাঁড়িয়ে ভ্যাক্সিন গ্রহণের সিরিয়াল নিচ্ছেন।এছাড়া জায়গা সংকলন না হওয়ায় সিড়ির ডালে লন্বা লাইনে দাঁড়িয়ে, সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে ভ্যাক্সিন এর সিরিয়াল নিতে অপেক্ষা করতেও দেখা যায়। এসময় অনেকে প্রচন্ড গরেমে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এদিকে ভারতে অধিক মাত্রায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংক্ষ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় ভারতে ভ্যাক্সিনের চাহিদা বেড়ে যায়।এতেকরে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট সাথে চুক্তি থাকা সত্বেও জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত মাসে ৫০ লাখ ডোজ মোট ৩ কোটি ডোজ বাংলাদেশের পাবার কাথা ছিলো। সেখানে সিরাম ইনস্টিটিউট দিয়েছে ৭০ লাখ ডোজ। এতে দিত্বীয় দাপে ভ্যাক্সিনের সংকটের আশংকা রয়েছে। ভারতের চাহিদার কথা ভেবে ভ্যাক্সিন সরবরাহ বন্ধ করে দেয় সিরাম ইনস্টিটিউট । এসংবাদ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর পার্শপ্রতিক্রিয়াহীন এই ভ্যাক্সিন নিতে মানুষের মধ্যে আগ্রহ বহুগুণ বেড়েছে। এবিষয়ে ২৫ এপ্রিল শনিবার দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার প্রতিনিধিকে শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এর পরিচালক ডাঃমোঃহাফিজুর রহমান বলেন, করোনার ভ্যাক্সিন প্রদান আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি গাজীপুর সিভিল সার্জন ও সিটি কর্পোরেশন দায়িত্ব পালন করছেন আমাদের সুধু মাত্র ভেন্যু। করোনার ভ্যাক্সিন নিতে আসা মানুষের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে কোভিড-১৯ ভ্যক্সিন গ্রহণে সামাজিক দূরত্ব নেই। এতে করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, গড়ে প্রতিদিন তিনহাজার মানুষ ভ্যাক্সিন গ্রহণে হাসপাতালে আসছেন। জেনারেল ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীর সাথে বাড়তি লোক ও বহীর বিভাগে চিকিৎসা সেবা নিতে আসে প্রতিদিন প্রায় দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষ। এতো মানুষের ভীর নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের সম্ভব হচ্ছে না। এছাড়া একই জায়গায় এতো বেশি সংখ্যক লোক সমাগম একই লিফট ব্যবহার করোনা সংক্রমণ ঝুঁকি রয়েছে। ২৫ এপ্রিল গাজীপুর সিভিল সার্জন ডাঃমোঃখারুজ্জামান এক প্রশ্নের জবাবে বলেন শহীদ তাজ উদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এপর্যন্ত প্রথম ও দিত্বীয় দাপের ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯ শত ৭০ ডোজ ভ্যাক্সিন দেয়া হয়েছে। টিকা গ্রহনের পর পার্সপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো কোন বড় ধরনের কোন পার্শপ্রতিক্রিয়ার খবর পাওয়া যায়নি।এছাড়া টিকা গ্রহণের পর মানব দেহে টিকার কার্যকাল ও কার্যকরী ফলাফল নিশ্চিত হচ্ছে কিনা জানতে চাইলে তিনি এবিষয়ে কোনা কিছু জানেনা না বলে জানান।এছাড়া তিনি বলেন এবিষয়ে বিস্তর গবেষণা করা হলে ভ্যাক্সিন কার্যকাল ও কার্যকারিতা জানা যাবে। এছাড়া এই মূহুর্তে টিকার সংকট নেই বলেও জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *